নারীদের বিয়ের গড় বয়স বেড়েছে

সাম্প্রতিক পরিসংখ্যানে দেখা গিয়েছে, পুরুষদের ক্ষেত্রে বিয়ের গড় বয়স কমে গেছে। তবে বেড়েছে নারীদের। পরিসংখ্যান বলছে, পুরুষদের ক্ষেত্রে ২৪.২ বছর এবং নারীর ১৮.৫ বছর। রুষদের বিবাহের গড় বয়স ২০১৫ সালে ছিল ২৫ দশমিক ৩ বছর। পুরুষদের বিবাহের গড় বয়স ২০১৫ সালে ছিল ২৫ দশমিক ৩ বছর। পক্ষান্তরে ২০১৫ সালে নারীদের বিবাহের বয়স ছিল ১৮ দশমিক চার বছর।

বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর স্ট্যাটিসটিকসের ফলাফলে এ চিত্র পাওয়া গেছে।

সর্বশেষ হিসাব অনুযায়ী, বাংলাদেশের মোট জনসংখ্যা ১৬ কোটি ৬৫ লাখ। এছাড়া দেশের মানুষের প্রত্যাশিত গড় আয়ুও বেড়ে হয়েছে ৭২.৬ বছর।

পরিকল্পনা মন্ত্রী তার প্রধান অতিথির বক্তব্যে বলেন,

উন্নয়নে সঠিক তথ্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ মাঠ পর্যায় থেকে বিশুদ্ধ তথ্য তুলে আনতে হবে। এ বিষয়টি সবাইকে মনে রাখতে হবে যে, তথ্য যত সঠিক হবে উন্নয়ন পরিকল্পনা প্রণয়ন ততই বাস্তবসম্মত হবে ।

পরিসংখ্যা ও তথ্য ব্যবস্থাপনা বিভাগের সচিব বিশেষ অতিথির বক্তব্যে বলেন, প্রতিবেদনে দেখা গেছে, ভারত, পাকিস্তান ও নেপালসহ অনেক দেশ আমাদের পেছনে রয়েছে। আর্থ-সামাজিক অনেক সূচকেই বাংলাদেশের চেয়ে শুধু শ্রীলংকেই কিছুটা এগিয়ে।

মনিটরিং দ্যা সিচুয়েশন অব ভাইটাল স্টাটিস্টিক অব বাংলাদেশ (এমএসভিএসবি) তৃতীয় পর্যায় প্রকল্পের আওতায় সারাদেশের ২ হাজার ১২টি নমুনা এলাকা থেকে প্রতিবেদনটির জন্য তথ্য সংগ্রহ করা হয়েছে। প্রতিবেদনটি তৈরি করা হয়েছে। প্রকল্প পরিচালক জানান, ১৯৮০ সাল থেকে নিয়মিতভাবে এসব তথ্য সংগ্রহ করা হচ্ছে। মানুষের প্রত্যাশিত গড় আয়ু বাড়ার কারণ হচ্ছে, চিকিৎসা ব্যবস্থা উন্নয়ন হয়েছে। মানুষ সহজেই চিকিৎসা নিতে পারছেন। তাছাড়া খাদ্যগ্রহণ আগের চেয়ে বেড়েছে। পুষ্টি গ্রহণের ক্ষেত্রে তুলনামূলক অগ্রগতি হয়েছে। মানুষের সচেতনতা বেড়েছে। সবকিছু মিলিয়ে গড় আয়ু বেড়েছে।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, জন্ম নিয়ন্ত্রণ পদ্ধতি ব্যবহারের ক্ষেত্রে গত পাঁচবছরে জন্মনিয়ন্ত্রণ পদ্ধতি ব্যবহারের হার বাড়েনি। প্রায় একই রকম রয়েছে। তবে জন্মনিয়ন্ত্রণের আধুনিক পদ্ধতি ব্যবহারের হার বেড়েছে।

বর্তমানে দেশে মোট জনসংখ্যার মধ্যে মুসলিম হচ্ছে- ৮৮.৪%, যেটি ২০১৫ সালে ছিল ৮৮.২% হিন্দুসহ অন্যান্য ধর্মের জনসংখ্যা ১১.৬%, যা ২০১৫ সালে ছিল ১১.৮%

Spread the love